1. [email protected] : দেশ রিপোর্ট : দেশ রিপোর্ট
  2. [email protected] : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক
  3. [email protected] : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন : Renex অনলাইন
শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

এক সঙ্গে চারটি কারখানা কিনে এখন সংকটে মিরাকেল

নিজস্ব সংবাদদাতা
  • সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১

মিরাকেল ইন্ডাস্ট্রি লিঃ (এমআইএল) যার নিবন্ধন ১৯৯৩ ইং সালে। ১৯৯৫ ইং সালে বিসিআইসি এর সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চারে এগ্রিমেন্ট, ১৯৯৮ সালে বিসিআইসি, টিএসপিসিএল ও সিসিসিএল এর সাথে একটি শেয়ারহোল্ডার এগ্রিমেন্ট সম্পাদন হয়। এপ্রিল ২০০০ইং সাথে ডিএসই ও সিইসই এর তালিকা ভুক্ত হয়।

২০১৭-১৮ সালে কোম্পানিটির মালিকানা এক্সপোর্ট মার্কেট টার্গেট করে বিএমআরই করতে গিয়ে নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে বেশী খরচ হওয়ার ফলে কোম্পনীটি অর্থ সংকটে পড়ে। বিসিআইসি ও কোম্পানীর লিয়েন ব্যাংকের নিকট লোন চাইলে উভয়েই অপারগতা প্রকাশ করে। উপরন্ত ব্যাংক লোনের টাকা ফেরত চেয়ে কয়েকটি চিঠি দেওয়রে পর আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লাষ্ট ওর্য়ানিং দেয়। সে অবস্থায় উপায়ন্তর না পেয়ে প্রায় ১২০০ কর্মচারী এবং ফ্যাক্টরীটিকে বাচানোর লক্ষ্যে কেওতা খুঁজতে থাকে। তখন মেহমুদ ইকুইটিজ লিঃ এর কর্ণধার ড. একেএম শাহবুব আলম বিগ্রুপের১০ শেয়ার কেনার আগ্রহ প্রকাশ করে। ২০১৯ সালের ১৭ অক্টোবর শেয়ার বিক্রয় এর এগ্রিমেন্ট হয়। মিরাকেল বাদে আরো তিনটি ফ্যাক্টরী একসাথে ক্রয় করেন। প্রত্যেক ফ্যাক্টরীর বিভিন্ন আলাদা আলাদা ভাবে ভাল অংকের লোন রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিকূল ও অর্থ সংকটের কারণে এখন পযর্ন্ত কোন কোম্পানীর শেয়ার ট্রান্সফার করতে পারেননি এবং গত দেড় বছরে শুধু মিরাকেল এ ১০-১৩% উৎপাদন করতে পেরেছে।

উল্লেখ্য যে, মেহমুদ ইকুইুটজ লিঃ এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান কর্নফুলী সিকিউরিটজ এন্ড কনসালটেন্ট লিঃ যার উভয়ের মালিকতিনি নিজে। ব্যাংকে রি-সিডিউল, রি-স্ট্রাকচার ও এনহেঞ্জমেন্ট এর জন্য আবেদন করে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শুধু মিরাকেল এর জন্য ৫৭.৩২ কোটি থেকে —- কোটি টাকার আবেদন করেছেন। যদি উক্ত টাকা মঞ্জুর হয় তাহলে সুদ ও টাকা মাসিক কিস্তির পরিমান নূনতম ১.০০ কোটি টাকার বেশী হবে একটি ফ্যাক্টরী অন্যান্য ফিক্সড খরচ তো আছেই।

মিরাকেলকে লাভবান করতে হলে দীর্ঘদিন কাজ করছে এমন একজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তেতার অভিজ্ঞতার বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন। তার মতে ফ্যাক্টরীর ক্ষমতা যা আছে তার তুলনায়ফ্যাক্টরীর লোনের বার্ডেন অনেক বেশী। যা এই ফ্যাক্টরীর ৯০% এচিভ করেও লাভ করা অত্যান্ত দূরহ ব্যপার। তিনি আরো বলেন, অন্তত সাথানীয় বাজারে ভলিয়ম অর্ডার পাওয়া খুবই দূঃসাধ্য ব্যাপার।

মিরাকেল বিনিয়োগ করেছে এক্সপোর্টমার্কেটের জন্য কিন্তু কোভিড এর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ৫৬% অর্ডার কমে যায় এবং পাট মন্ত্রনালয় এর প্লাস্টিক ব্যাগ এর উপর ব্যবহার নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি কারয় স্থানীয় বাজার সীমিত হয়ে যায়। শুধুমাত্র বিসিইসি একমাত্র স্থানীয় ক্রেতা।

তাছাড়া ড. একেএম শাহবুব আলমের কারখানা পরিচালনার কোন অভিজ্ঞতা পূর্ব নেই। তিনি একজন অর্থনীতিবিদ। তার ব্যবসা শেয়ার মার্কেটে। আন্তর্জাতিক মূল্যে বাজারে টিকে থাকতে হলে ভলিয়ম অর্ডার যোগাড় করতে হবে। প্রডাকশনের মাধ্যমে ওয়েজটেজ তমাতে পারলে এবং কোয়লিটি প্রডাক্ট উৎপাদন করে দক্ষ জনবলের মাধ্যমে ইপিসিয়েন্ট করতে পারবেন। এ পর্যায়ে মেহমুদ ইকুইটিজ এর পক্ষে সে পর্যায়ে যাওয় সম্ভব না।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর শেয়ার এর মূল্য ১৩.৫০ টাকা থাকলেও ২০২০ সালের ২২ শে ডিসেম্বর শেয়ারের মূল্য বেড়ে ৩৬.৪০ টাকায় উঠে ছিল। বছরখানেক যাবত ৩৪-৩৫ টায় উঠানামা করছে। উক্ত শেয়ার কিনে কেউ মুনাফা করবে কেউ নিঃস্ব হবে।

এ বিষয়ে বিসিআইসি ও প্রতিষ্ঠানের বেস কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানা যায় যে, মিরাকেল ইন্ডাঃ লিঃ এর বেশ সমস্যা আছে। সিন্ডিকেটের কথাও শোনা যায়। কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালনাকে ফোন করলে তাকে পাওয়া যায় নি।

শেয়ার:
আরও পড়ুন...
স্বত্ব © ২০২৩ দৈনিক দেশবানী
ডিজাইন ও উন্নয়নে - রেনেক্স ল্যাব